ভূমিকম্প(Earthquake) One liner notes
ভূমিকম্প(Earthquake)
YouTube Channel
•ভূপৃষ্ঠের আকস্মিক ও ঋণস্থায়ী কম্পনই হল ভূমিকম্প।
•পৃথিবীর অভ্যন্তরে যে স্থান থেকে কম্পনের সৃষ্টি হয়, সেই স্থানকে ভূমিকম্পের কেন্দ্র বলে।
•ভূমিকম্পের কেন্দ্র থেকে সমকোণে ভূপৃষ্ঠের ওপর অবস্থিত স্থানটিকে ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র বলে। •উপকেন্দ্রের বিপরীত দিকে অবস্থিত স্থানটিকে প্রতিপাদ কেন্দ্র বলে।
• ভূকম্পনের দরুন ভূমিকম্পন লিখ যন্ত্রে যে পরিলেখ বা লেখচিত্রে আঁকাবাকা ভূকম্পীয় তরঙ্গ লক্ষ করা যায়। সেগুলিকে সিসমোগ্রাম বলে।
• যে যন্ত্রের সাহায্যে ভূমিকম্পের উৎস স্থান তথা তরঙ্গের তীব্রতা ও গতিবিধির রেখাচিত্র পাওয়া যায়, তাকে বলে সিসমোগ্রাফ বা ভূমিকম্প লিখ যন্ত্র।
• ভূপৃষ্ঠে অবস্থিত ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র থেকে 104-140° কৌণিক দূরত্বে ভূপৃষ্ঠের যে অঞ্চল থাকে সেখানে P এবং S তরঙ্গ পৌছায় না। একে ভূমিকম্পের ছায়া অঞ্চল বলে।
• উপকেন্দ্রে ভূমিকম্পের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি হয়।
• স্বল্প দূর বিস্তৃত কম তীব্রতার ভূমিকম্প বা মৃদু ভূকম্পকে 'tremor বলে।
• ভূমিকম্প নির্ণয়ক যন্ত্রকে সিসমোগ্রাফ বলে।
• পৃথিবীর ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চলগুলি প্লেট সীমান্ত বরাবর অবস্থিত।
• বিজ্ঞানের যে শাখায় ভূমিকম্প সম্পর্কে পঠন-পাঠন হয়, সেই শাখাকে সিসমোলজি বলে।
•ভূমিকম্প কেন্দ্রের গড় গভীরতা প্রায় 16 km |
• স্থিতিস্থাপক প্রত্যাঘাত মতবাদের প্রবক্তা H.F. Reid
• উপকেন্দ্র থেকে প্রতিপাদ কেন্দ্রের কৌণিক দূরত্ব 180°
• ভূমিকম্পের ফলে নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হয়।
• জাপানকে ভূমিকম্পের দেশ বলে।
• সুনামি হল এক ধরনের সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস।
• ভারতের হিমালয় সংলগ্ন অঞ্চল ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চল। • রিক্টার স্কেলের সাহায্যে ভূমিকম্পের মাত্রা (Magnitude) পরিমাপ করা হয়।
• মার্কালি স্কেলের সাহায্যে ভূমিকম্পের তীব্রতা (Intensity) পরিমাপ করা হয়।
• ক্যালিফোর্নিয়ার ভূকম্পবিদ চার্লস রিখটার 1935 সালে রিখটার স্কেল উদ্ভাবন করেন।।
• ভূমিকম্পের তীব্রতা নির্ণয়ের জন্য 1931 সালে ইতালিয়ান ভূকম্পবিদ মার্কালি, মার্কালি স্কেলের সূচনা করেন।
• রিখটার স্কেলের মাত্রা 0-10 পর্যন্ত হয়।
• মার্কালি স্কেলের মাত্রা 1-12 পর্যন্ত হয়।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন